ফেসবুকের এআই (AI) ডে বাই ডে ডেভেলপ হচ্ছে এটা ওদের জন্য কন্টিনিউস প্রসেস। ফেসবুক তাদের অডিয়েন্সকে এতোভাবে সেগমেন্ট করেছে যার জন্য আপনি স্পেসিফিকভাবে টার্গেটিং করতে পারেন।
এখন প্রশ্ন হলো ফেসবুক কেন আবার “Advantage” শব্দ ইউস করে নিউ অনেকগুলো Feature আনলো?
চলুন তাহলে ভেতরের ইতিকথা কি একটু জানি:
আপনি যে এড একাউন্ট দিয়ে এড চালান Facebook সেই এড একাউন্টে ডেটা স্টোর করতে থাকে। ধরতে গেলে অডিয়েন্সের ডেটা, যেই এড পারফর্ম করে সেই এডে অডিয়েন্সের এক্টিভিটি অল এভ্রিথিং।
কেনো করে এতোকিছু ?
এডভান্টেজ অফশনগুলো মূলত কাজ করে ডেটার এই হিস্ট্রির উপর। আপনি যদিও টার্গেটিং না দেন কোনো ক্যাম্পেইনে, ফেসবুক লার্ণ করতে থাকে, আপনার এডে কোন কোন সেগমেন্টের অডিয়েন্স ইন্টারেক্ট করতেছে কারা প্রডাক্ট ভিউ করতেছে, কারা এড টু কার্ট করতেছে, কারা চেকআউট পেজে গেছে, পারসেজ করতেছে, কারা কমেন্ট করতেছে, কারা শেয়ার করছে, কারা এনগেজড হচ্ছে সব ডেটাই ফেসবুক ট্রাক করে।
পরবর্তীতে এই ডেটার উপর বেস করেই ফেসবুক আপনার এডকে সিমিলিয়ার বিহেভিয়ার এর অডিয়েন্সের কাছে নিয়ে যায় যেন আপনার কাঙ্ক্ষিত এচিভমেন্টটা সহজ হয়।
এখানে বলে রাখি এর ভেতরে ফেসবুকের এলগরিদম লিড হয় ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে অডিয়েন্সের পারসোনালাইজড ডেটা ট্রাকিং এর উপর মানে বিষয়টি এমন যখন কোনো ওয়েবসাইটে আপনি ঢু মারেন তখন আপনার সমস্ত এক্টিভিটি ফেসবুক বলেন বা অন্যনা স্যোসাল প্লাটফর্ম বলেন সবাই ট্রাক করতে থাকে যদি সেই ওয়েবসাইটে বা লেন্ডিং-পেজে পিক্সেল এবং কনভারসন এপিআই এই দুটি ইন্সটল থাকে বা যদি সেট-আপ করা থাকে( শুধু সেটআপ থাকলে সবকিছু ট্রাক করতে পারবে বিষয়টা এমন না ট্রাক করার জন্যও ট্রাকিং প্যারামিটার এন্ড ইভেন্ট গুলোও সেট-আপ করতে হয়)।
এসব প্রপার সেট-আপ থাকলে এড তখন প্রপার ডেটা পাই এবং এই ডেটার উপরই বেস করে ফেসবুক বলেন বা অন্যন্য প্লাটফর্ম বলেন এভাবেই আপনার বিজনেসে হেল্প করে। ফেসবুক এই ডেটাকে প্রপার ইউস করার জন্য এডভান্টেজ এর সুবিধা এনেছে, এছাড়া আরো অনেক সুবিধা তো আছেই।
তাহলে এখন কি আমি টার্গেটিং Use করবো না?
টার্গেটিং ইউস করুন। ম্যানুয়ালি-ই করে আসছি আমরা শুরুর দিক থেকেই। ফেসবুক নিজেই এতগুলো সেগমেন্ট করেছে যাতে আপনি আপনার এক্সেট অডিয়েন্সের কাছে আপনার নিসের প্রডাক্টটি দেখাতে পারেন।
তাহলে বড় বড় ব্রান্ডগুলো কেন কোনো টার্গেটিং করে না আই মিন কেন তারা তাদের তাদের প্রডাক্ট এক্সেট অডিয়েন্সের জন্য টার্গেটিং দেই না?
এখানে ব্রান্ডগুলো টার্গেটিং করে না এমনটা না তারা মূলত চাই তাদের ব্রান্ড সবার কাছে পৌঁছুক যেন আজ না হয় কাল বা ২-৩ বছর পর হলেও কাস্টমারে পরিণত হোক; মানে সাইকোলজিক্যাল ব্যাপার আর কি!!
তাহলে এখন ছোট ছোট উদ্দোক্তারা কি করবে? তারা কি বড় বড় ব্রান্ডগুলোর মতোই করবে?
ছোট ছোট উদ্দোক্তারা চাইলে ফেসবুকের ম্যানুয়াল টার্গেটিং ব্যবহার করে স্বল্প সময়ের ভেতর রেজাল্ট বের করুক। তবে একটা বিষয়; একটা কন্টেন্ট দিয়া আপনি বিশ্ব জয় করে ফেলিবেন সেটা ভাবাটা দুঃসাহসিক সিন্ধান্ত আই মিন হতাশ হতে হবে!!
করণীয় কি তাহলে?
১। কন্টেন্ট ঠিকমতো করতে হবে।
২। ফেসবুকের রিকমেন্ডেড রেশিও মতো কন্টেন্ট মেইক করতে হবে।
৩। কন্টেন্টে অল এভ্রিথিং রিয়্যাল, ব্যাপারটা ফিল থাকতে হবে।
৪। কন্টেন্ট এমন হবে যেন অডিয়েন্সের প্রডাক্টের প্রতি ট্রাস্ট বিল্ড হতে থাকবে।
৫। প্রডাক্টের শ্যুট এমন হতে হবে যেন অভারঅল সবকিছু ফুটে উঠে, যেন অডিয়েন্স সহজে বুঝতে পারে।
বিঃদ্রঃ মূলত এই আলোচনা খুব বেসিক এর ভেতরে আরো অনেক আছে লিখা ছোট করে শেষ করলাম। ধন্যবাদ সবাইকে।